মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
প্রকল্প

একটি বাড়ি একটি খামার

 

একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প

 

 

 


     প্রকল্প পরিচিতি

  বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নপ্রসূত একটি অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প হলো ’’একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প’’। এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো ২০২১ সালের মধ্যে দারিদ্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়া। আর তাই  সুবিধা বঞ্চিত গ্রামীন দরিদ্য জনগোষ্ঠীকেসঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধকরণ, সঞ্চয়ের বিপরীতে বোনাস প্রদান  এবং আবর্তক তহবিল প্রদানের মাধ্যমে তাদেরকে দীর্ঘস্থায়ী তহবিল গঠন করে দেওয়া। যে তহবিল ব্যবহার করে তারা তাদের দারিদ্যকে স্থায়ীভাবে দুর করবে।

এ প্রকল্পের প্রধান কাজ হলো বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ১ম পর্যায়ে গরিব ৬০টি পরিবারের ৬০জন সদস্য(৪০জন মহিলা ২০জন পুরম্নষ) নিয়ে একটি সমিতি গঠন করে দেওয়া এবং সমিতিটির একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকবে। যে অ্যাকাউন্টে সমিতির প্রতিজন সদস্য মাসে ২০০ টাকা করে জমা করবে এবং সরকারও প্রতি সদস্যের নামে বোনাস হিসেবে ২০০ টাকা জমা করবে।তবে বোনাসের অর্থ সদস্য টাকা জমা করলে ২ বছর পর্যমত্ম পাবে। এছাড়াও সরকার আবর্তক তহবিল নামে সমিতিকে ২ বছরে ১.৫০ লÿটাকা করে ৩ লÿটাকার একটি তহবিল দেবে। এভাবে ২ বছরে সদস্যের সঞ্চয়ের টাকা এবং সরকারি বোনাস ও আবর্তক তহবিলসহ সমিতির মোট তহবিল হবে ৯ লÿটাকা যা শুধু সমিতির সদস্যরাই ব্যবহার করতে পারবে।

৫ নং বড়শশী ইউনিয়নে প্রকল্পের কার্যক্রমঃ

বড়শশী ইউনিয়নে২০১৪ সালে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম শুরম্ন হয়। বর্তমানে ইউনিয়নের মোট ৯টি ওয়ার্ডে  ৯টি সমিতি (প্রতি ওয়ার্ডে ১টি করে) রয়েছে। সমিতিগুলো যথাক্রমেঃ

ওয়ার্ড নং

সমিতির নাম

সদস্য সংখ্যা

মালকাডাঙ্গা গ্রাম উন্নয়ন সমিতি

৬০ জন

বদেশ্বরী-মনিপাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতি

৬০ জন

মহিষবাথান গ্রাম উন্নয়ন সমিতি

৬০ জন

নাউতারী-মুন্সিপাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতি

৬০ জন

বেলতলি-চটিপাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতি

৬০ জন

কাজিপাড়া-শেখপাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতি

৬০ জন

অমরখানা গ্রাম উন্নয়ন সমিতি

৬০ জন

বালাপাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতি

৬০ জন

চিলাপাড়া-সবুজপাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতি

৬০ জন

 মোট সমিতি ৯টি এবং মোট সদস্যসংখ্যা ৫৪০।

 মোট=৫৪০ জন

 

বড়শশী ইউনিয়নে৯টি সমিতির  ৫৪০ জন সদস্যের বর্তমানে মোট তহবিলের পরিমাণ দাড়িয়েছে প্রায় ৫১ লÿটাকা (জুন/১৫ পর্যমত্ম)। অর্থ্যাৎ প্রতিটি সমিতির ৬০ জন সদস্যের তহবিল দাড়িয়েছে গড়ে প্রায় ৫.৫০ লÿটাকা যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং যা ২ বছরে ৯ লÿটাকায় উন্নিত হবে।

সমিতির অর্থগুলো আবার ব্যাংকে অলসভাবে পরে নেই। ইতোমধ্যেই সমিতির সদস্যগণ তাদের সমিতির তহবিলের ব্যবহার শুরম্ন করেছে। তাঁরা তাদের সমিতি-তহবিল থেকে ÿুদ্র ঋণ গ্রহন করে বিভিন্ন আয়বর্ধক কর্মকান্ডে বিনিয়োগ করছে। ফলে তাঁদের পারিবারিক উন্নতির পাশাপাশি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে। বড়শশী ইউনিয়নে ৯টি সমিতির ৫৪০ জন সদস্যের মধ্যে জুলাই/১৫ পর্যমত্ম প্রায় ৩৯০ জন সদস্য মোট ২৪.৬৭ লÿ(চবিবশ লÿষাষট্টি হাজার) টাকা ÿুদ্র ঋণ গ্রহন করে হাঁস-মুরগি,গবাদি পশু পালন, মাছ চাষ,কৃষি কাজ, ÿুদ্র ব্যবসাসহ বিভিন্ন আয়বর্ধক কাজে বিনিয়োগ করেছে।

৫নং বড়শশী ইউনিয়নে উক্ত প্রকল্পের মাঠ সহকারী (এফএ) হিসেবে ৯টি সমিতি পরিচালনার দায়িত্বে বর্তমানে কর্মরত আছেন মোঃ মিলন, মোবাইল নং- ০১৭৩৭৩৪৩০৯৭। প্রকল্প বিষয়ে যে কোন তথ্যের জন্য তার সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।                                                                                   বিসত্মারিত জানতে প্রকল্পের ওয়েবসাইট ভিজিট করম্ননঃ www.ebek-rdcd.gov.bd

উপসংহারঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারমূলক এ প্রকল্পটির সকল  আর্থিক কার্যক্রম অনলাইন ভিত্তিক। ফলে এখানে গরিব সদস্যদের গঠিত তহবিল ১০০% নিরাপদ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকামিত্মক ইচ্ছা্য়ইতোমধ্যেই এ প্রকল্পটিকে পলস্নী সঞ্চয় ব্যাংকে রম্নপামত্মর করা হয়েছে যা ২০১৬ সালের জুলাই থেকে পুরোপুরিভাবে কার্যক্রম শুরম্ন করবে। পলস্নী সঞ্চয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠার ফলে ২০২১ সালের মধ্যে দারিদ্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়া আরো সহজ হবে। এজন্য যে উদ্দেশ্যে একটি বাড়ি একটিখামারপ্রকল্প তথা পলস্নী সঞ্চয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, সেই উদ্দেশ্যের সফল বাসত্মবায়নের জন্য সকলের আমত্মরিক সহযোগীতা একামত্মভাবে কাম্য।

কাজের বর্ননা

প্রকল্প পরিচিতি বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নপ্রসূত একটি অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প হলো ’’একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প’’। এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো ২০২১ সালের মধ্যে দারিদ্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়া। আর তাই সুবিধা বঞ্চিত গ্রামীন দরিদ্য জনগোষ্ঠীকে সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধকরণ, সঞ্চয়ের বিপরীতে বোনাস প্রদান এবং আবর্তক তহবিল প্রদানের মাধ্যমে তাদেরকে দীর্ঘস্থায়ী তহবিল গঠন করে দেওয়া। যে তহবিল ব্যবহার করে তারা তাদের দারিদ্যকে স্থায়ীভাবে দুর করবে। এ প্রকল্পের প্রধান কাজ হলো বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ১ম পর্যায়ে গরিব ৬০টি পরিবারের ৬০জন সদস্য(৪০জন মহিলা ২০জন পুরম্নষ) নিয়ে একটি সমিতি গঠন করে দেওয়া এবং সমিতিটির একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকবে। যে অ্যাকাউন্টে সমিতির প্রতিজন সদস্য মাসে ২০০ টাকা করে জমা করবে এবং সরকারও প্রতি সদস্যের নামে বোনাস হিসেবে ২০০ টাকা জমা করবে। তবে বোনাসের অর্থ সদস্য টাকা জমা করলে ২ বছর পর্যমত্ম পাবে। এছাড়াও সরকার আবর্তক তহবিল নামে সমিতিকে ২ বছরে ১.৫০ লÿ টাকা করে ৩ লÿ টাকার একটি তহবিল দেবে। এভাবে ২ বছরে সদস্যের সঞ্চয়ের টাকা এবং সরকারি বোনাস ও আবর্তক তহবিলসহ সমিতির মোট তহবিল হবে ৯ লÿ টাকা যা শুধু সমিতির সদস্যরাই ব্যবহার করতে পারবে। ৫ নং বড়শশী ইউনিয়নে প্রকল্পের কার্যক্রমঃ বড়শশী ইউনিয়নে ২০১৪ সালে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের কার্যক্রম শুরম্ন হয়। বর্তমানে ইউনিয়নের মোট ৯টি ওয়ার্ডে ৯টি সমিতি (প্রতি ওয়ার্ডে ১টি করে) রয়েছে। সমিতিগুলো যথাক্রমেঃ ওয়ার্ড নং সমিতির নাম সদস্য সংখ্যা ১ মালকাডাঙ্গা গ্রাম উন্নয়ন সমিতি ৬০ জন ২ বদেশ্বরী-মনিপাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতি ৬০ জন ৩ মহিষবাথান গ্রাম উন্নয়ন সমিতি ৬০ জন ৪ নাউতারী-মুন্সিপাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতি ৬০ জন ৫ বেলতলি-চটিপাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতি ৬০ জন ৬ কাজিপাড়া-শেখপাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতি ৬০ জন ৭ অমরখানা গ্রাম উন্নয়ন সমিতি ৬০ জন ৮ বালাপাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতি ৬০ জন ৯ চিলাপাড়া-সবুজপাড়া গ্রাম উন্নয়ন সমিতি ৬০ জন মোট সমিতি ৯টি এবং মোট সদস্যসংখ্যা ৫৪০। মোট=৫৪০ জন বড়শশী ইউনিয়নে ৯টি সমিতির ৫৪০ জন সদস্যের বর্তমানে মোট তহবিলের পরিমাণ দাড়িয়েছে প্রায় ৫১ লÿ টাকা (জুন/১৫ পর্যমত্ম)। অর্থ্যাৎ প্রতিটি সমিতির ৬০ জন সদস্যের তহবিল দাড়িয়েছে গড়ে প্রায় ৫.৫০ লÿ টাকা যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং যা ২ বছরে ৯ লÿ টাকায় উন্নিত হবে। সমিতির অর্থগুলো আবার ব্যাংকে অলসভাবে পরে নেই। ইতোমধ্যেই সমিতির সদস্যগণ তাদের সমিতির তহবিলের ব্যবহার শুরম্ন করেছে। তাঁরা তাদের সমিতি-তহবিল থেকে ÿুদ্র ঋণ গ্রহন করে বিভিন্ন আয়বর্ধক কর্মকান্ডে বিনিয়োগ করছে। ফলে তাঁদের পারিবারিক উন্নতির পাশাপাশি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে। বড়শশী ইউনিয়নে ৯টি সমিতির ৫৪০ জন সদস্যের মধ্যে জুলাই/১৫ পর্যমত্ম প্রায় ৩৯০ জন সদস্য মোট ২৪.৬৭ লÿ(চবিবশ লÿ ষাষট্টি হাজার) টাকা ÿুদ্র ঋণ গ্রহন করে হাঁস-মুরগি,গবাদি পশু পালন, মাছ চাষ,কৃষি কাজ, ÿুদ্র ব্যবসাসহ বিভিন্ন আয়বর্ধক কাজে বিনিয়োগ করেছে। ৫নং বড়শশী ইউনিয়নে উক্ত প্রকল্পের মাঠ সহকারী (এফএ) হিসেবে ৯টি সমিতি পরিচালনার দায়িত্বে বর্তমানে কর্মরত আছেন মোঃ মিলন, মোবাইল নং- ০১৭৩৭৩৪৩০৯৭। প্রকল্প বিষয়ে যে কোন তথ্যের জন্য তার সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে। বিসত্মারিত জানতে প্রকল্পের ওয়েবসাইট ভিজিট করম্ননঃ www.ebek-rdcd.gov.bd উপসংহারঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারমূলক এ প্রকল্পটির সকল আর্থিক কার্যক্রম অনলাইন ভিত্তিক। ফলে এখানে গরিব সদস্যদের গঠিত তহবিল ১০০% নিরাপদ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকামিত্মক ইচ্ছা্য় ইতোমধ্যেই এ প্রকল্পটিকে পলস্নী সঞ্চয় ব্যাংকে রম্নপামত্মর করা হয়েছে যা ২০১৬ সালের জুলাই থেকে পুরোপুরিভাবে কার্যক্রম শুরম্ন করবে। পলস্নী সঞ্চয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠার ফলে ২০২১ সালের মধ্যে দারিদ্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়া আরো সহজ হবে। এজন্য যে উদ্দেশ্যে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প তথা পলস্নী সঞ্চয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, সেই উদ্দেশ্যের সফল বাসত্মবায়নের জন্য সকলের আমত্মরিক সহযোগীতা একামত্মভাবে কাম্য।

বরাদ্দের পরিমাণ (টাকায়)

৫৪০০০০০

বরাদ্দের পরিমাণ (অন্যান্য)

৫৪০০০০০

প্রকল্প শুরু

২০১৩-১২-৩১

প্রকল্প শেষ

২০১৮-০৯-৩০

ওয়ার্ড

১-৯